দ্য সামিট ফর দ্য ফিউচার ইন ২০২৪: সমৃদ্ধ আগামীর জন্য বহুপাক্ষিক সমাধান

0

নিজস্ব প্রতিবেদক : দ্য গ্লোবাল ডিজিটাল কমপ্যাক্ট: সকলের জন্য একটি উন্মুক্ত, অবাধ ও নিরাপদ ডিজিটাল ভবিষ্যত
সারা বিশ্ব এখন ডিজিটাল রুপান্তরের মধ্যে দিয়ে যাচ্ছে। চতুর্থ শিল্প বিপ্লব তথা তথ্য প্রযুক্তির এ বিপ্লবে সারা বিশ্বের সাথে বাংলাদেশ কিভাবে নিরাপদ থাকবে তা নিশ্চিত করতে হবে। নিরাপদ থাকার বিষয়টি নিশ্চিত হতে কি কি উপায় গ্রহণ করা হবে তার সুনির্দিষ্ট মতামত ও পরামর্শ নিতে অনুষ্ঠিত হলো গ্লোবাল ডিজিটাল কমপ্যাক্ট ও সামিট অফ দ্য ফিউচার সংক্রান্ত জাতীয় পরামর্শ সভা।

পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয় ও ইউএনডিপি, বাংলাদেশের সহযোগিতায় বিআইজিএফ ও বিএনএনআরসি’র উদ্যোগে রাজধানীর একটি হোটেলে ‘গ্লোবাল ডিজিটাল কমপ্যাক্ট: এন ওপেন, ফ্রি, অ্যান্ড সিকিউর ডিজিটাল ফিউচার ফর অল’ এবং ‘সামিট অব দ্য ফিউচার ২০২৪: মাল্টিল্যাটারাল সলিউশনস ফর এ বেটার টুমরো’ শীর্ষক এ পরামর্শ সভায় সরকার, নাগরিক ও যুব সমাজ, শিক্ষাবিদ, গণমাধ্যম, কারিগরি সমাজ ও বেসরকারি খাতের শতাধিক প্রতিনিধি অংশ নেন।
প্রধান অতিথির বক্তব্যে পররাষ্ট্র সচিব (সিনিয়র সচিব) মাসুদ বিন মোমেন বলেন, গ্লোবাল ডিজিটাল কম্প্যাক্ট কে সর্বোচ্চ গুরুত্ব দিয়ে দেখছে সরকার বৈষম্যহীন বৈশ্বিক ডিজিটাল ব্যবস্থা চায় বাংলাদেশ গ্লোবাল ডিজিটাল কমপ্যাক্টের সাথে স্মার্ট বাংলাদেশ গঠনে সরকারের যে লক্ষ্য তার যেনো প্রতিফলণ থাকে সে তাগিদ দেন পররাষ্ট্র সচিব।

পাশাপাশি নিজ দেশের অধিকার সুরক্ষায় করণীয় ও নিজ কৃষ্টি, সংস্কৃতি, এতিহ্য, জীবন ব্যবস্থার আলোকে ডিজিটাল ব্যবস্থা নিয়ন্ত্রণের সুযোগ থাকার কথাও বলেন তিনি
পরামর্শ সভার সভাপতি সাবেক মন্ত্রী ও এমপি এবং বাংলাদেশ ইন্টারনেট গভর্নেন্স ফোরাম (বিআইজিএফ)এর চেয়ারপারসন হাসানুল হক ইনু বলেন, সারা বিশ্ব জলবায়ু পরিবর্তন ও ডিজিটাল রূপান্তরের কম্পনের মধ্য দিয়ে যাচ্ছে। বাংলাদেশকেও এর সাথে খাপ খাওয়াতে হবে।

এজন্য প্রযুক্তির সহজপ্রাপ্যতা ও প্রবেশাধিকার নিশ্চিতের তাগিদ দেন তিনি। ইনু বলেন, ডিজিটাল রূপান্তরকে নিরাপদ করতে একে সঠিক ব্যবস্থাপনায় আনতে হবে যার জন্য একটি কাঠামো প্রয়োজন। সেই কাঠামো তৈরিতে ও কাঠামোর ভেতরে আসতে বাংলাদেশের সমস্যা, সম্ভাবনা, চ্যালঞ্জগুলো কি তা নির্ধারণ করতে হবে।

সমাপনী সেশনের মূল বক্তব্য উপস্থাপনকারী আইসিটি ডিভিশনের এটুআই এর পলিসি এডভাইজার আনির চৌধুরী বলেন, ডিরো ডিভাইড বা বৈষম্যহীন ডিজিটাল ব্যবস্থা গ্রহণের বিকল্প নেই এজন্য প্রচুর বিনিয়োগের প্রয়োজন উল্লেখ্য; জাতিসংঘ সদস্য দেশগুলোর অনুরোধে সংস্থাটির মহাসচিব আন্তোনিও গুতেরেস বৈশ্বিক সহযোগিতা ও কার্যকর বহুপাক্ষিক সম্পর্ক প্রতিষ্ঠার মাধ্যমে আগামী ২৫ বছরে বিশ্বকে কোথায় দেখতে চান ‘আওয়ার কমন অ্যাজেন্ডা’ রিপোর্টের মাধ্যমে তার একটি ভিশন তুলে ধরেছেন ।

১২টি অ্যাজেন্ডা নিয়ে ২০২১ সালের সেপ্টেম্বরে তিনি এই রিপোর্টটি প্রকাশ করেন। এ উদ্দেশে আগামী ২২-২৩ সেপ্টেম্বর নিউইয়র্কে জাতিসংঘ সদর দপ্তরে অনুষ্ঠিত হতে যাচ্ছে ‘সামিট অব দ্য ফিউচার ২০২৪’। এই সামিটের লক্ষ্য দুটি। এক, বিদ্যমান আন্তর্জাতিক প্রতিশ্রুতি পূরণের প্রচেষ্টা জোরদার করা; দুই, ভবিষ্যতের চ্যালেঞ্জ মোকাবেলা ও সম্ভাবনা কাজে লাগাতে সুনির্দিষ্ট পদক্ষেপ নেয়া।

১২টি অ্যাজেন্ডার মধ্যে মধ্যে অন্যতম ‘গ্লোবাল ডিজিটাল কমপ্যাক্ট’। প্রথমবারের মতো সকলের জন্য একটি উন্মুক্ত, অবাধ ও নিরাপদ ডিজিটাল ভবিষ্যত গড়ার লক্ষ্যে সামিট অব দ্য ফিউচারের মাধ্যমে পাস হতে যাচ্ছে এই গ্লোবাল ডিজিটাল কমপ্যাক্ট । ‘গ্লোবাল ডিজিটাল কমপ্যাক্ট’এবং ‘সামিট অব দ্যা ফিউচার ২০২৪’ বিষয়ে বাংলাদেশের অভিন্ন ও সুনির্দিষ্ট অবস্থান যাতে তুলে ধরা যায় সে লক্ষ্যে অংশীজনদের নিয়ে ২০২২ সাল থেকে কাজ করছে বাংলাদেশ ইন্টারনেট গভর্নেন্স ফোরাম (বিআইজিএফ)ও বাংলাদেশ এনজিও’স নেটওয়ার্ক ফর রেডিও অ্যান্ড কমিউনিকেশন (বিএনএনআরসি)।

সকলের জন্য একটি উন্মুক্ত, অবাধ ও নিরাপদ ডিজিটাল ভবিষ্যত জাতিসংঘ সদস্য দেশগুলোর অনুরোধের প্রেক্ষিতে মহাসচিব আন্তোনিও গুতেরেস বৈশ্বিক সহযোগিতা ও কার্যকর বহুপাক্ষিক সম্পর্ক প্রতিষ্ঠার মাধ্যমে আগামী ২৫ বছরে বিশ্বকে কোথায় দেখতে চান ‘আওয়ার কমন অ্যাজেন্ডা’ রিপোর্টের মাধ্যমে তার একটি ভিশন তুলে ধরেছেন ।

তিনটি সেশনে জাতীয় পরামর্শ সভা অনুষ্ঠিত হয়। ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের গণযোগাযোগ ও সাংবাদিকতা বিভাগের অধ্যাপক ড. এস এম শামীম রেজা’র সঞ্চালনায় প্রথম সেশনে মূল বক্তব্য উপস্থাপন করেন ইউনিভার্সিটি অব লিবারেল আর্টস, বাংলাদেশ এর অধ্যাপক সামিয়া এ সেলিম। আলোচক হিসেবে ছিলেন বাংলাদেশে জাতিসংঘ আবাসিক সমন্বয়কারীর কার্যালয়ের প্রধান লুইস বারবার ও বাংলাদেশ এনজিও’স নেটওয়ার্ক ফর রেডিও অ্যান্ড কমিউনিকেশন-বিএনএনআরসি এর প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা এএইচএম বজলুর রহমান। এই সেশনে আলোচনার বিষয় ছিল জাতিসংঘ মহাসচিবের ‘আওয়ার কমন অ্যাজেন্ডা’ ও ‘গ্লোবাল ডিজিটাল কমপ্যাক্ট’। অনুষ্ঠানে স্বাগত বক্তব্য রাখেন বিআইজএফ এর সেক্রেটারী জেনারেল আবদুল হক অনু।

‘আওয়ার কমন অ্যাজেন্ডা’ বাংলাদেশ কি ভূমিকা রাখতে পারে এবং বাংলাদেশের পথচলায় বিশেষ করে স্মার্ট বাংলাদেশ বাস্তবায়ন প্রক্রিয়ায় এই অ্যাজেন্ডা কিভাবে ভূমিকা রাখবে তা আলোচনা করা হয় এই সেশনে।

দ্বিতীয় সেশনের আলোচনার বিষয় ছিল ‘সামিট অব দ্য ফিউচার ২০২৪’। এতে মূল বক্তব্য উপস্থাপন করেন বাংলাদেশ উন্নয়ন গবেষণা প্রতিষ্ঠান-বিআইডিএস এর গবেষণা ফেলো তাহরীন তাহরিমা চৌধুরী। আলোচক হিসেবে জনাব এএইচএম বজলুর রহমান ও বাংলাদেশ টেলিযোগাযোগ নিয়ন্ত্রণ কমিশন (বিটিআরসি) এর মহাপরিচালক ব্রিগেডিয়ার জেনারেল খলিল-উর-রহমান। দ্বিতীয় সেশনটি সঞ্চালনা করেন টিভি টুডে’র প্রধান সম্পাদক ও প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা মঞ্জুরুল আহসান বুলবুল। ফিউচার অব দ্য সামিট নিয়ে বাংলাদেশের প্রস্তুতি, ভূমিকা, ও কর্ম পরিকল্পনা কি হবে আলোচকদের বক্তব্য তা উঠে আসে।

সমাপনী সেশনে আলোচনায় অংশ নেন অনুষ্ঠানের প্রধান অতিথি পররাষ্ট্র সচিব (সিনিয়র সচিব) মাসুদ বিন মোমেন, বিশেষ অতিথি বাংলাদেশ টেলিযোগাযোগ নিয়ন্ত্রণ কমিশন (বিটিআরসি) এর মহাপরিচালক ব্রিগেডিয়ার জেনারেল খলিল-উর-রহমান ও সম্মানিত অতিথি ইউএনডিপি বাংলাদেশের আবাসিক প্রতিনিধি স্টিফেন লিলার।

তিনি বলেন, এই সমাবেশ আমাদের সম্মিলিত যাত্রা এবং টেকসই উন্নয়ন অভীষ্ট অর্জনের দিকে আমাদের প্রচেষ্টার উদাহরণ। এটি আমাদের সর্বোচ্চ আকাঙ্ক্ষাকে প্রতিফলিত করে। আমরা আজ বিভিন্ন প্যানেলিস্ট এবং বক্তাদের কাছ থেকে শুনেছি ২০২৪ সালের সেপ্টেম্বরে অনুষ্ঠিতব্য ভবিষ্যতের শীর্ষ সম্মেলন, আমাদের সাধারণ এজেন্ডা থেকে উঠে এসেছে সমাজের সকল স্তরে নতুন জোর এবং সংহতির প্রয়োজনীয়তা রয়েছে। এটিকে মৌলিক পুনর্বিবেচনার বিষয় হিসেবে উল্লেখ করে তিনি আহ্বান জানান আমাদের সিস্টেমে ন্যায্যতা এবং কার্যকারিতা নিশ্চিত করতে হবে. এই শীর্ষ সম্মেলন গুরুত্বপূর্ণ চ্যালেঞ্জের বিষয়ে সহযোগিতা বাড়ানোর জন্য এবং বৈশ্বিক সমাধান করার জন্য একটি উদ্যোগ। আমরা টেকসই উন্নয়ন অভীষ্ট এবং জাতিসংঘের চার্টারসহ বিদ্যমান প্রতিশ্রুতিতে দৃঢ় এবং একটি বহুপাক্ষিক ব্যবস্থাকে পুনরুজ্জীবিত করার দিকে অগ্রসর হচ্ছি যা মানুষের জীবনে ইতিবাচক প্রভাব ফেলতে আরও ভাল অবস্থানে রয়েছে। এসডিজি রিপোর্ট দেখায় যে বাংলাদেশ এসডিজি সূচকে অগ্রগতির একটি ভালো পারফরমার। ভবিষ্যতের শীর্ষ সম্মেলনটি একটি ডিজিটাল কমপ্যাক্টকেও আকার দেয় যেখানে একটি কমপ্যাক্ট দক্ষ এবং উন্মুক্ত একটি সুরক্ষিত ও সুন্দর ভবিষ্যতের জন্য এসডিজি বাস্তবায়ন ত্বরান্বিত করার জন্য তার রূপান্তরমূলক সম্ভাবনাকে কাজে লাগাতে হবে। আমরা ডিজিটাইজেশন প্রযুক্তি দ্বারা পরিচালিত একটি যুগে রয়েছি। দক্ষিণ এশিয়ার চ্যাম্পিয়ন ডিজিটাল বাংলাদেশ এবং এখন স্মার্ট বাংলাদেশে রূপান্তরিত কাজ চলছে। ইউএনডিপি সরকারের পাশে দাঁড়ানোর ক্ষেত্রে অনেকগুলো যুগ যুগান্তকারী এজেন্ডাকে বাস্তবায়নের জন্য কাজ করে। অন্তর্ভুক্তি এবং উদ্ভাবনের জন্য আমাদের পেশাদার প্রযুক্তিগত দক্ষতার প্রতিশ্রুতির মাধ্যমে আমরা সরকারকে সরকারকে সমর্থন করছি ডিজিটাল প্রযুক্তি ব্যবহার করে সরকারকে অপ্টিমাইজ করতে এবং পরিষেবা প্রদানে উদ্বুদ্ধ করছি।

এই সেশনে সভাপতির দায়িত্ব পালন করেন সাবেক মন্ত্রী ও সংসদ সদস্য; বাংলাদেশ ইন্টারনেট গভর্নেন্স ফোরাম এর চেয়ারপারসন হাসানুল হক ইনু। এই সেশনে আলোচনার বিষয়গুলো ছিল সামিট অব দ্য ফিউচার এবং গ্লোবাল ডিজিটাল কমপ্যাক্ট বিষয়ে বাংলাদেশ কিভাবে প্রস্তুতি গ্রহণ করবে; সদস্য দেশগুলোর সরকারের মধ্যে সমন্বয় কিভাবে হবে, বহুপক্ষীয় অংশীজনের অংগ্রহণ কিভাবে নিশ্চিত করা হবে তা নিয়ে।

বাংলাদেশ কনসালটেশন অন দ্য সামিট অফ দ্য ফিউচার ২০২৪ এবং দ্য গ্লোবাল ডিজিটাল কমপ্যাক্টে বাংলাদেশ ইন্টারনেট গভর্নেন্স ফোরামের চেয়ারপারসন, হাসানুল হক ইনু।

তিনি বলের, স্মার্ট বাংলাদেশ বাস্তবায়নের জন্য বহুপক্ষীয় অংশীজনের অংশগ্রহণে একটি জাতীয় কমিটি দরকার। বর্তমান স্মার্ট বাংলাদেশ টাস্ক ফোর্সকে আরো গতিশীল ভূমিকা পালন করা প্রয়োজন। বাংলাদেশ অ্যাসোসিয়েশন অফ সফটওয়্যার অ্যান্ড ইনফরমেশন সার্ভিসেস (বেসিস), ই-কমার্স অ্যাসোসিয়েশন অব বাংলাদেশ (ইক্যাব), বাংলাদেশ অ্যাসোসিয়েশন অফ কন্টাক্ট সেন্টার অ্যান্ড আউটসোর্সিং (বাক্কো), বাংলাদেশ কম্পিউটার সমিতি (বিসিএস), ইন্টারনেট সার্ভিস প্রোভাইডার্স অ্যাসোসিয়েশন অব বাংলাদেশ (আইএসপিএবি), এসোসিয়েশন অব মোবাইল টেলিকম অপারেটরস অব বাংলাদেশ (এমটব), মোবাইল ফোন ওনার্স অ্যাসোসিয়েশন অব বাংলাদেশ (এমআইওবি), বাংলাদেশ ইন্টারনেট গভর্নেন্স ফোরাম (বিআইজিএফ) এবং বাংলাদেশ কম্পিউটার সোসাইটি (বিসিএস)। এইসব সংগঠনগুলোকে স্মার্ট বাংলাদেশ বাস্তবায়ন প্রক্রিয়ায় সম্পৃক্ত করে কর্মপরিল্পনা নির্ধারণ জরুরী।

স্মার্ট বাংলাদেশ বির্নিমাণে সাইবার নিরাপত্তা আইন, ২০২৩ থাকলেই চলবে না তা বাস্তবায়নে সক্রিয় সাইবার পুলিশ এবং সাইবার কোর্টের দরকার। এছাড়াও বেশ কিছু আইন ও নীতিমালা প্রয়োজন। সেগুলো হচ্ছে ডেটা সুরক্ষা আইন, কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা নিয়ন্ত্রণ আইন, ই-কমার্স আইন, সম্প্রচার আইন, সোশ্যাল মিডিয়া কাউন্সিল, ইন্টারনেট পলিশি, পুনঃমূল্যায়ন দরকার ব্রডব্যান্ড পলিশি এবং টেলিযোগাযোগ আইন।

ডিজিটাল রূপান্তর দ্রুত হচ্ছে, কিন্তু তা অন্তর্ভুক্তিমূলক নয়। এর জন্য প্রয়োজন দক্ষ জনশক্তি তৈরি, ডিজিটাল বৈষম্য দূর করা, ডিজিটাল স্বাক্ষরতা প্রদান এবং ডিজিটাল অন্তর্ভুক্তি নিশ্চিতকরণ।

দেশী পর্যায়ে গ্লোবাল ডিজিটাল কমপ্যাক্ট বাস্তবায়নে পর্যবেক্ষণে প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয়ের অধীনে একটি ইউনিট প্রয়োজন। যা স্মার্ট বাংলাদেশ বাস্তবায়ন প্রক্রিয়াকে ত্বরান্বিত করবে। জাতিসংঘের উদ্যোগে ২০২৫ সালে সাইবার ট্রিটি হতে যাচ্ছে। এব্যাপারে একটি পজিশন পেপার তৈরি করা আবশ্যক।

সামিট অফ দ্য ফিউচার ২০২৪ এবং গ্লোবাল ডিজিটাল কমপ্যাক্ট বাংলাদেশ প্রক্রিয়ায় সরকার ও অংশীজনদের সম্পৃক্তিকরণ প্রক্রিয়ায় বাংলাদেশে কর্মরত জাতিসংঘভুক্ত প্রতিষ্ঠানগুলোকে এগিয়ে আসার আহবান জানান।

উত্তর দিন

আপনার ইমেইল ঠিকানা প্রকাশ করা হবে না.