বান্দরবানে র্যাবের অভিযান দুর্ধর্ষ সন্ত্রাসী ও হত্যা মামলার ওয়ারেন্টভুক্ত আসামি গ্রেপ্তার
মো: শিপন, জেলা প্রতিনিধি বান্দরবান : পার্বত্য জেলা বান্দরবানে দীর্ঘদিন ধরে আত্মগোপনে থাকা হত্যা, অপহরণ ও দুর্ধর্ষ সন্ত্রাসী কর্মকাণ্ডের অন্যতম হোতা গং রা মং মার্মা (৩৭)-কে অবশেষে আইনের আওতায় নিয়ে এসেছে র্যাপিড এ্যাকশন ব্যাটালিয়ন-১৫।
২৫ এপ্রিল ২০২৬ দিবাগত রাতে বান্দরবান সদর থানাধীন দুর্গম কুহালং ইউনিয়ন এলাকায় এক শ্বাসরুদ্ধকর অভিযানে তাকে গ্রেফতার করা হয়।
র্যাব-১৫, সিপিসি-৩ (বান্দরবান ক্যাম্প) এর একটি আভিযানিক দল গোপন সংবাদের ভিত্তিতে জানতে পারে যে, ২০১০ সালের একটি নৃশংস হত্যা মামলার ওয়ারেন্টভুক্ত ও তালিকাভুক্ত দুর্ধর্ষ সন্ত্রাসী গং রা মং মার্মা সদর থানাধীন কুহালং ইউনিয়নের মোমবাতোয়াই কারবারি পাড়া এলাকায় অবস্থান করছে।
তথ্যের সত্যতা যাচাই করে র্যাবের চৌকস দলটি গত রাতে (২৫ এপ্রিল) ২৩:৪০ ঘটিকায় অভিযান চালিয়ে তাকে ঘেরাও করে এবং সফলভাবে গ্রেফতার করতে সক্ষম হয়।
গ্রেফতারকৃত আসামি গং রা মং মার্মা কুহালং ইউনিয়নের মুম্বাই দোহাই কারবারি পাড়ার বাসিন্দা খইজং মার্মা’র ছেলে। সে পার্বত্য অঞ্চলের একজন তালিকাভুক্ত অস্ত্রধারী সন্ত্রাসী হিসেবে পরিচিত।
তার বিরুদ্ধে ২০১০ সালে বান্দরবান সদর থানায় একটি লোমহর্ষক হত্যা মামলা দায়ের করা হয়েছিল।
দীর্ঘ প্রায় ১৬ বছর ধরে আইনের চোখ ফাঁকি দিয়ে পলাতক থেকে এই আসামি এলাকায় বিভিন্ন সন্ত্রাসী কর্মকাণ্ড পরিচালনা করে আসছিল। তার এই গ্রেফতারের ফলে এলাকায় স্বস্তি ফিরে আসবে বলে মনে করা হচ্ছে। পাহাড়ে শান্তি ও নিরাপত্তা বজায় রাখতে অপরাধী ও সন্ত্রাসীদের বিরুদ্ধে র্যাবের এই কঠোর অবস্থান ভবিষ্যতেও অব্যাহত থাকবে।
গ্রেফতারকৃত আসামিকে প্রয়োজনীয় আইনি প্রক্রিয়া সম্পন্ন করার পর বান্দরবান সদর থানা সোপর্দ করা হয়েছে। পার্বত্য অঞ্চলে সন্ত্রাসীদের আস্তানা নির্মূল এবং জননিরাপত্তা নিশ্চিত করতে র্যাবের এ ধরনের আপসহীন অভিযান অব্যাহত থাকবে।