বান্দরবানে অবৈধ সেগুন কাঠের চালান নিয়ে চেমী ডলু রেঞ্জ বন কর্মকর্তা আমজাদ হোসেনের বিরুদ্ধে অভিযোগ
বান্দরবান প্রতিনিধি : বান্দরবানের বিভিন্ন বনাঞ্চল থেকে অবৈধভাবে সেগুন গাছ কেটে কাঠ পাচারের অভিযোগ উঠেছে। স্থানীয়দের দাবি, রাতের আঁধারে বিভিন্ন সড়ক দিয়ে নিয়মিত চোরাই কাঠের চালান পরিবহন করা হলেও তা বন্ধে কার্যকর পদক্ষেপ দেখা যাচ্ছে না। এ ঘটনায় বন বিভাগের চেমী ডলু রেঞ্জের রেঞ্জ কর্মকর্তা আমজাদ হোসেনের ভূমিকা নিয়েও গুরুতর অভিযোগ উঠেছে।
স্থানীয় কয়েকজনের দাবি, অবৈধভাবে কাটা সেগুন গাছের চালান পারাপারের ক্ষেত্রে অর্থ আদায়ের মাধ্যমে সহযোগিতা করা হচ্ছে। তবে এসব অভিযোগের স্বাধীন সত্যতা এখনো নিশ্চিত হওয়া যায়নি।
অভিযোগকারীদের ভাষ্য, বনাঞ্চল থেকে কেটে আনা সেগুন কাঠ বিভিন্ন যানবাহনে করে নির্দিষ্ট গন্তব্যে পাঠানো হচ্ছে। বন বিভাগের দায়িত্বশীল কর্মকর্তাদের নজরদারি থাকার পরও কীভাবে এসব কাঠ নির্বিঘ্নে পরিবহন হচ্ছে—এ নিয়ে প্রশ্ন তুলেছেন স্থানীয়রা।
স্থানীয়দের আরও অভিযোগ, চোরাই কাঠের এই কার্যক্রম দীর্ঘদিন ধরে চললেও কার্যকর অভিযান ও জব্দ কার্যক্রম না থাকায় কাঠ পাচারকারীরা আরও উৎসাহিত হচ্ছে। এতে একদিকে সরকারি বনসম্পদ ধ্বংস হচ্ছে, অন্যদিকে পাহাড়ি এলাকার পরিবেশ ও জীববৈচিত্র্য হুমকির মুখে পড়ছে।
সচেতন মহল বলছে, চেমী ডলু রেঞ্জের আওতাধীন বনাঞ্চলে অবৈধ সেগুন কাঠ কাটা ও পরিবহনের অভিযোগগুলো গুরুত্বের সঙ্গে তদন্ত করে সত্যতা যাচাই করা প্রয়োজন। অভিযোগের সত্যতা পাওয়া গেলে সংশ্লিষ্ট ব্যক্তি বা কর্মকর্তার বিরুদ্ধে আইন অনুযায়ী ব্যবস্থা নেওয়ার দাবি জানিয়েছেন তারা।
এ বিষয়ে চেমী ডলু রেঞ্জ কর্মকর্তা মোঃ আমজাদ হোসেনের বক্তব্য জানতে যোগাযোগ করা হলে তাঁর বক্তব্য পাওয়া গেলে তা প্রতিবেদনে সংযোজন করা হবে।
একই সঙ্গে চোরাই কাঠের চালানের সঙ্গে জড়িত ব্যক্তিদের শনাক্ত করে আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণ এবং বনাঞ্চল রক্ষায় নিয়মিত নজরদারি ও অভিযান জোরদারের দাবি জানিয়েছেন স্থানীয়রা।